প্রেস বিজ্ঞপ্তি-২

ঘটনার সময় - আনুমানিক সকাল ৯:১৫ ঘটিকা , স্থান- কলেজ আঙ্গিনা। অধ্যক্ষ মহোদয়ের সাথে ঘটনাস্থলে আরও উপস্থিত ছিলেন ইতিহাস বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রভাষক জনাব মোশারফ হোসেন , দর্শনের প্রভাষক জনাব ইকরাম হোসেন। উপস্থিত দুজন শিক্ষকই সাক্ষ্য দিয়েছেন অধ্যক্ষ মহোদয় নুসরাত হত্যাকাণ্ড নিয়ে কোন আপত্তিকর মন্তব্য করেননি। 

৪-৫ জন ছাত্রী আনুমানিক সকাল ৯:১৫ ঘটিকায় অধ্যক্ষ মহোদয়ের  

সাথে দেখা করে মানববন্ধন করার অনুমতি চায় । তখন অধ্যক্ষ মহোদয় যা বলেছেন “ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী পদক্ষেপ নিয়েছেন, বিচার হবেই। তাছাড়া আজ অনার্স ৪র্থ বর্ষ পরীক্ষা থাকায় এবং আগামী ১৬ এপ্রিল থেকে একাদশ বার্ষিক পরীক্ষা শুরু হওয়ার রুটিন থাকায় কলেজে ছাত্রী উপস্থিতি কম। আমরা কিছুদিন অপেক্ষা করি, আরও বেশী ছাত্রী নিয়ে আমরা কয়েকদিন পর মানববন্ধন করতে পারবো ।

ঘটনাটি দুঃখজনক তাতে কোন সন্দেহ নেই। এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি আমরা সকলেই চাই।”


এরপর সেই ৪-৫ জন ছাত্রী বেরিয়ে যায়। 


নুসরাত হত্যা সম্পর্কে তিনি কোন মন্তব্যই করেননি । কে বা কারা উদ্দশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা এবং বানোয়াট খবর অপপ্রচার চালাচ্ছে। 

দেশের সকল সচেতন নাগরিকের মতো অধ্যক্ষ মহোদয়ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চান। 

কতিপয় অসাধু লোকের মিথ্যা অপপ্রচারে আমরা কলেজ পরিবার যারপরনাই মর্মাহত। 

সরকারি জিয়া মহিলা কলেজ, ফেনী। 


Powered By: PENTAGRAM IT